দেশজুড়ে তাপমাত্রা ৬–৮ ডিগ্রিতে, বাড়ছে শীতের প্রকোপ

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন | ছবি: এখন টিভি
0

সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। চলতি মৌসুমে নওগাঁয় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া গোপালগঞ্জ ও মেহেরপুরে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রির নিচে। এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ায় হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। বিভিন্ন রুটে ব্যাহত হয় ফেরি চলাচল। চলতি মাসজুড়েই সারাদেশে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সারা দেশে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। বিভিন্ন জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ভোর থেকেই কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, নাটোরে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস—যা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন।

রাজশাহীতে আজ (বুধবার, ৭ জানুয়ারি) সকাল ৬ টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা নগরী হলেও জীবিকার তাগিদে সকাল থেকেই কাজে বের হতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষদের।

আরও পড়ুন:

মেহেরপুর তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রিতে। উত্তরের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে তীব্র শীত দুর্ভোগ বাড়িয়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। কমে গেছে যানবাহন চলাচল ও যাত্রীসংখ্যা, স্থবির হয়ে পড়েছে ছোট ব্যবসা।

গোপালগঞ্জেও তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে সকাল ও রাতের দিকে ঘন কুয়াশায় ধীরগতিতে চলছে যানবাহন, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। কৃষি বিভাগ বলছে, রবি মৌসুমের ফসলেও শীতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

চলতি মাসজুড়েই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এএম