আজ (মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে, হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন শফিকুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কথা বলায় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড। এই হত্যা মামলায় পলাকত ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনও পলাতক আছেন ৬ জন।
এখন পর্যন্ত হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, ভাড়ায় প্রাইভেটকার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু এবং মো. ফয়সাল।
আরও পড়ুন:
এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড রহস্যজনক। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে মূল অভিযুক্ত ফয়সালের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। পরে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার সার্জারি হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পরদিন ১৯ ডিসেম্বর রাতে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। ২০ ডিসেম্বর ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।





