নারায়ণগঞ্জে ‘মাদককারবারি’ ধরতে অভিযান, পুলিশকে মারধরের অভিযোগ

পুলিশকে কয়েকজন মিলে মারধরের মুহূর্ত
পুলিশকে কয়েকজন মিলে মারধরের মুহূর্ত | ছবি: সংগৃহীত
1

নারায়ণগঞ্জে ‘মাদককারবারিদের’ আটক করতে অভিযানে গিয়ে রেলওয়ে পুলিশের এসআই মিজান ও পুলিশ কনস্টেবল আরিফ মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, দু’জন ‘নিরপরাধ’ ব্যক্তিকে হয়রানি করার কারণে উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করেছে।

আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) বিকেলে শহরের গলাচিপা রেললাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে নগরীর গলাচিপা রেললাইন এলাকায় পুলিশ সিএনজিতে করে দু’জন ব্যক্তিকে নিয়ে যাচ্ছিলো। এসময় তারা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা সাহায্যের আকুতি জানায়। পরে স্থানীয় একদল তাদেরকে সিএনজি থেকে নামিয়ে পাশের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে যান। সেখানে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পরেন তারা।

তারা আরও জানায়, সেখানে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পুলিশ সেখান থেকে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা শুরু করলে উত্তেজিতরা ‘ভুয়া পুলিশ’ বলে মারধর শুরু করেন। এতে এসআই মিজান ও তার সঙ্গে থাকা কনস্টেবল জখম হন এবং দৌড়ে সেখান থেকে উভয়ে পালিয়ে যান।

অন্যদিকে, ঘটনার শিকার হাফিজুর রহমান (৩৩) ও রমজান (৩২) অভিযোগ করেন, বিনা কারণে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ হ্যান্ডকাফ পরিয়ে সিএনজিতে উঠায়। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে তাদের আর্তচিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তাদের সিএনজি থেকে নামায়।

আরও পড়ুন:

হাফিজ ও রমজান শহরের কিল্লারপুল এলাকায় প্রাইম নামের একটি ডাইংয়ে কাজ করেন বলে জানা যায়।

ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানান, এসআই মিজান মাদকের একটি অভিযানে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন। বিস্তারিত আমরা খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

এ বিষয়ে জানতে আহত পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, ‘মাদকের একটি অভিযানে গিয়ে রেলওয়ে পুলিশের এসআই মিজান ও কনস্টেবল আরিফ দুইজন মাদক বিক্রেতাকে আটক করেন। পরে তাদের সহযোগীরা তাদের ছাড়িয়ে নিতে হামলা চালায়।

এসএইচ