গতকাল (রোববার, ১৫ মার্চ) রাত আনুমানিক সোয়া নয়টার দিকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তরুণ টিকটকার রাকিব আহমেদ। হঠাৱ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সাথে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
আহত রাকিবকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রাকিব একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ছিলেন এবং ব্যক্তিগত কিছু বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা ৪ থেকে ৫ জন ছিলো। একজন গুলি করেছে, একজন চাকু দিয়ে আঘাত করে, আরেকজন হাতুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায়, হামলায় ৩ থেকে ৪ জন জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
ডিএমপি রমনা জোনে উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘কারা মারলো, কীভাবে মারলো পুরো ঘটনা আমরা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। একজনকে আমরা হাতে পেয়েছি। তার মাধ্যমে অন্যদেরও আমরা ধরতে পারবো।’
রাকিব ছিলেন শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলার চৌমুহনী গ্রামে। তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। পরিবার নিয়ে রাজধানীর নিমতলীর নাজিমউদ্দিন রোডে বসবাস করতেন তারা।





