পরিবারের দাবি, পাওনা টাকা দিবে বলে এক ব্যক্তি তাকে গভীর রাতে মোবাইলফোনে ডেকে নেয়। সকালে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত ফরহাদ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরমনসা গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এক সন্তানের জনক তিনি। হত্যাকারীরা তার ডান চোখ উপড়ে ফেলে।
আরও পড়ুন:
ফরহাদের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, ‘পাওনা টাকা দিবে বলে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি তাকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। পরদিন ভোরবেলা ফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।’
সকালে বাড়ির এক কিলোমিটার দূরে ফসলি ক্ষেতে তার মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পান তিনি। টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’





