ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, বোনের বিয়ে নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে ছোট ভাই হাসান তারই বড় ভাই আল আমিনকে ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করেন।
নিহত আল-আমিন মিয়া (৩০) রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি শহরের চৌয়ালা এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। পেশায় একজন ইজিবাইক চালক।
স্থানীয়রা জানায়, আল-আমিনের ছোট বোনকে বিয়ের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় ‘বখাটে যুবক’ নাঈম উত্ত্যক্ত করছিল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিষয়টি নিয়ে নাঈমের সঙ্গে মিমাংসা করেন বড়ভাই আল-আমিন। কিন্তু মীমাংসার বিষয়টি তার ছোটভাই হাসান মেনে নিতে না পারেননি।
আরও পড়ুন:
এ নিয়ে শুক্রবার রাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে মোবাইলে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে শনিবার সকালে চৌয়ালা এলাকায় এসে বড় ভাই আল আমিনের সঙ্গে পুনরায় তর্কে জড়ায় হাসান। স্বজনদের অভিযোগ, তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বড়ভাইকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হাসান।
পরে স্থানীয়রা আল-আমিনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ফরিদা গুলশানারা কবির বলেন, ‘হাসপাতালে ওই যুবককে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।’
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআরএম আল-মামুন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত ছোট ভাই হাসানকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে। এছাড়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাঈমকে আটক করা হয়েছে।’





