আজ (রোববার, ২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে চরাঞ্চলের চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোমেন মিয়া সদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদাগরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মোমেন সরকারের বাড়ি ও একই গ্রামের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা সাবেক মেম্বার আবুল কাশেম সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছিলো।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, এ বিরোধের জেরে সকাল ৯টার দিকে কাশেম মেম্বার ও ফরিদের নেতৃত্বে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশিয় অস্ত্রধারী ২০-২৫ জনের একটি দল চেয়ারম্যান সমর্থক কৃষক মোমেন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় মোমেন মিয়া গুলিবিদ্ধসহ ৬ জন আহত হয়। রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর গুলিতে আহত মোমেন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ বিষয়ে চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন সরকার বলেন, ‘পূর্ব পাড়ার কাশেম ও দক্ষিণ পাড়ার ফরিদের লোকেরা একতরফা ঘরে ঢুকে গুলি করেছে। এলাকায় ঝগড়া হতে পারে—এমন কথা এমপি সাহেবকে কেন জানালাম, সেজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে তারা গুলি করে মোমেনকে হত্যা করেছে এবং ৫ থেকে ৭ জনকে আহত করেছে। তারা অস্ত্রসজ্জিত হয়ে আমাদের লোকজনকে ডাকাডাকি করেছে সংঘর্ষ করার জন্য, কিন্তু আমাদের পক্ষের লোকজন সংঘর্ষ জড়িত না হয়ে বাড়ি ছেড়ে দূরে ছিলেন, তারপরও তারা এমন হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছে।’
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছে, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধ নিয়ে একজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।




