এত দীর্ঘ সময় ধরে বন্দর বন্ধ থাকার নজির আগে খুব একটা দেখা যায়নি। ফলে এসময় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে এ সময়েও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল, যদিও যাত্রী সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। শনিবার সকাল থেকে আবারও বন্দর সচল হয়েছে এবং কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘ছুটির সময় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক ছিল।’
অন্যদিকে, ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ভারতের ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের সঙ্গে সমন্বয় করেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। বর্তমানে আবারও স্বাভাবিক গতিতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলা শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভোমরা স্থলবন্দর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক করিডোর। এর বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙা বন্দর এবং সেখান থেকে কলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার হওয়ায় এ বন্দরটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।





