৬০ বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপিত নতুন শুল্কের আওতায় মার্কিন আমদানির ৯৯ শতাংশের বেশি পণ্য। বাদ শুধু তেল, গ্যাস, সার ও নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্য।
গেলো ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে আগের শুল্ক বাতিল হয়ে যাওয়ার পর, ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলো গতকাল (শুক্রবার, ২৪ জুলাই) ঘোষিত ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে। এরইমধ্যে কার্যকর হয়েছে এ শুল্ক। বাণিজ্যে জোরপূর্বক শ্রম ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগে এই শুল্ক আরোপ, যদিও অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সব দেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ শুল্ক বড় আঘাত রপ্তানি খাতে বাংলাদেশে শীর্ষে থাকা তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর। যদিও স্বস্তির খবর, নতুন মার্কিন পদক্ষেপে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সর্বনিম্ন- ১০ শতাংশ শুল্কের তালিকায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন:
একইসঙ্গে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বিশ্বে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ারও সুযোগ পেলো ঢাকা।
এদিকে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য একটি তিন বছর মেয়াদী ট্যারিফ-রেট কোটা বা টিআরকিউ প্রতিষ্ঠার বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। এর আওতায় তৈরি পোশাক প্রস্তুতে উপকরণ হিসেবে আমদানিকৃত মার্কিন তুলা ও বস্ত্র ব্যবহার করলে, উৎপাদিত পণ্যের ওপর শুল্ক মওকুফের সুবিধা পাবে উৎপাদনকারী দেশগুলো। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে বলে আশ্বস্ত করা হচ্ছে; যদিও এতে বাড়বে কাঁচামালের আমদানি খরচ।
বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে চাষকৃত তুলায় তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতে মোট চাহিদার দুই শতাংশও পূরণ হয় না। তাই এ খাত এবং নিটিং খাতেও কাঁচামালের জন্য চীন ও ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভরশীল।
নিকটতম ও আঞ্চলিক প্রতিবেশী এই দুই দেশের পরিবর্তে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাঁচামাল আনলে অতিরিক্ত খরচ কীভাবে সামাল দেয়া হবে- রয়েছে সে প্রশ্নও।





