এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘নিবন্ধন সনদ’ যাচাইয়ের উদ্যোগ, এনটিআরসিএ-র জরুরি নির্দেশনা

এনটিআরসিএ
এনটিআরসিএ | ছবি: এখন টিভি
0

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে (Fake Certificate) শিক্ষকতা করার দিন শেষ হতে চলেছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA)। পর্যায়ক্রমে দেশের ৩৬ হাজারেরও বেশি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সনদ পরীক্ষা করা হবে।

একনজরে প্রধান তথ্যসমূহ (Quick Summary)

  • উদ্যোগ: ৩৬ হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক যাচাই।
  • শুরু: ৩টি জেলা (গাজীপুর, নরসিংদী, ভোলা)।
  • সময়সীমা: তথ্য পাঠানোর জন্য মাত্র ৭ কার্যদিবস।
  • শাস্তি: এম্পিও বাতিল ও আইনি মামলা।

পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় ৩ জেলা (Initial Phase in 3 Districts)

এই বিশাল কর্মযজ্ঞের শুরুতে পাইলটিং (Piloting) হিসেবে দেশের তিনটি জেলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। জেলাগুলো হলো— গাজীপুর (Gazipur), নরসিংদী (Narsingdi) ও ভোলা (Bhola)। এই তিন জেলার সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের তথ্য ও নিবন্ধন সনদ (Registration Certificate) সবার আগে যাচাই করা হবে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশের ৬৪ জেলার সকল প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হবে।

আরও পড়ুন:

এনটিআরসিএ-র কঠোর নির্দেশনা (NTRCA Strict Instructions)

এনটিআরসিএ-র সদস্য মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক জরুরি পত্রে (Urgent Notice) জানানো হয়েছে যে:

তথ্য প্রদান: প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শিক্ষকদের তথ্য পাঠাতে হবে।

প্রয়োজনীয় নথি: ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের এমপিও শিট (MPO Sheet November 2025) এবং নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত রঙিন ফটোকপি জমা দিতে হবে।

শূন্য পদের বিবরণ: প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শূন্য পদের তথ্যও (Vacancy Details) একই সাথে পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুন:

জাল সনদ ধরা পড়লে কঠোর শাস্তি (Punishment for Fake Certificates)

এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক ফয়জার আহমেদ জানিয়েছেন, জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতি গ্রহণ করেছে। যদি কারো সনদ জাল প্রমাণিত হয় কিংবা তথ্য গোপন বা টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ফৌজদারি ব্যবস্থা (Legal Action) গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি ইতিমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।



এসআর