ঘটনার সূত্রপাত হয় গতকাল সন্ধ্যায়। ইভটিজিং ও কটূক্তির অভিযোগে এক প্রতিবন্ধীসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করে নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় নারী শিক্ষার্থীদের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের এক দোকান কর্মচারীর সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা বাঁধে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ভিড়ের মধ্যে ওই দোকান কর্মচারী তার শ্লীলতাহানি করেন। পরে অভিযুক্তসহ তিনজনকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে, আজ সকালে অবস্থানরত শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তিনি শিক্ষার্থীর উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। উপাচার্য জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, নিরাপত্তা নিশ্চিতের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।





