লুটপাটের শিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রাফিদ ইলেকট্রনিকস, ফোন স্টোর ও বদি টেলিকম। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের জন্য ক্ষতির ধাক্কা সামলে আবার ব্যবসা শুরু করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
মাত্র ছয় মাস আগে প্যারিসে রাফিদ ইলেকট্রনিকস চালু করেছিলেন রবিউল হাসান। তার দোকানে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার ইউরো মূল্যের পণ্য ছিলো। লুটপাটে সেসব পণ্য হারিয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। তবে বিপদের সময়ে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন অনেকে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ব্রুটে তার ক্ষতির খবর প্রকাশের পর অনুদান হিসেবে ৮৬ হাজার ইউরো পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
একই ঘটনার শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিন। তার ফোন স্টোর ও বদি টেলিকম; দুটি প্রতিষ্ঠানেই লুটপাট হয়েছে। আজিমের হিসাব অনুযায়ী, দুই দোকানে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ইউরো। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান চালু হয়েছিল মাত্র নয় মাস আগে। একটি দোকানের অর্থ স্থানান্তর কাউন্টারে প্রায় ৩০ হাজার ইউরো নগদ অর্থও ছিল বলে জানা গেছে।
প্রবাসে ব্যবসা গড়ে তোলা উদ্যোক্তাদের জন্য এমন ঘটনা শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, দীর্ঘদিনের শ্রম ও বিনিয়োগ হারানোরও শামিল। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সূত্র: মামুনুর রশীদ (মাহিন), প্যারিস, ফ্রান্স।





