সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে হাবিংগার জানান, বর্তমান এআই মডেলগুলো থেকে ঝুঁকি কম হলেও প্রযুক্তিটি যেভাবে নিজে থেকেই নিজের উন্নতি ঘটাচ্ছে, তাতে এটি অচিরেই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। অতি-বুদ্ধিমান বা ‘সুপারইন্টেলিজেন্ট’ এআইকে কীভাবে মানুষের তৈরি নৈতিক মূল্যবোধের নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, সে বিষয়ে গবেষকদের কাছে এখনো কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই বলেও স্বীকার করেন তিনি।
অ্যাানথ্রোপিক থেকে সদ্য পদত্যাগ করা আরেক এআই গবেষক জ্যাকব কক্সনের মন্তব্যের জবাবে হাবিংগার এই সতর্কবার্তা দেন। কক্সন অভিযোগ করেন, অ্যাানথ্রোপিক ও ওপেনএআই-এর মতো কোনো প্রতিষ্ঠানই দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। তিনি বলেন, ‘শীগিরই আমাদের সামনে এমন অতি-মানবীয় প্রযুক্তি ব্যবস্থা আসছে যা যেকোনো কিছু হ্যাক করতে পারে, রাতারাতি যেকোনো খাত বদলে দিতে পারে এবং বাস্তব ক্ষমতার মালিক হতে পারে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন এআই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১,৩০০ কর্মী সম্প্রতি এক খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করে অতি-উন্নত এআই প্রযুক্তির উন্মুক্ত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের জোর দাবি জানিয়েছেন। গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, স্বায়ত্তশাসিত এআই এজেন্টগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন সাইবার হামলায় জড়িয়ে পড়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ দেখাচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জাতিসংঘে এআইবিষয়ক উপদেষ্টা কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেম ওয়েন্ডি হল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে এটি কেবল প্রচারণা চালানের কৌশলও হতে পারে। তবে এমন নীতি ও চিন্তাভাবনা থাকলে বিনিয়োগকারীদের এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ না করার অনুরোধ করব।’





