জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি সাঈদ ইরাভানি আজ (রোববার, ৮ মার্চ) বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলায় হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আগের হিসাবের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর আগে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেইন কেরমানপুর ৯২৬ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিলেন।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, অভিযানের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হন।
আরও পড়ুন:
দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে শাজারে তাইয়্যেবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকালবেলায় ক্লাস চলাকালে হামলা হলে ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী অন্তত ১৬৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হন বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট।
এ ছাড়া তেহরানের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা—এনগেলাব স্কয়ার, আজাদি স্কয়ার ও নিলুফার স্কয়ারেও বোমা হামলা হয়েছে বলে ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।





