সূত্রটি বলেছে, সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনার প্রস্তুতি হিসেবে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে এই প্রতিনিধিদল গঠন করা হতে পারে। আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সাইপ্রাসের কথা ভাবা হচ্ছে, তবে লেবানন যেকোনো ইউরোপীয় রাজধানীর জন্যও উন্মুক্ত রয়েছে।
সূত্রটি আরও জানায়, প্রতিনিধিদলে লেবাননের সব পক্ষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রেসিডেন্সি। তবে পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি কোনো শিয়া প্রতিনিধির অংশগ্রহণে অনুমোদন দেননি।
আরও পড়ুন:
সূত্রটির আরও জানায়, বেরি ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবের ওপর অনড় রয়েছেন এবং আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি দাবি করছেন। লেবাননের প্রস্তাবকে ইউরোপ স্বাগত জানিয়েছে এবং বৈরুত এখন ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
সূত্রটি আরও বলেছে, বর্তমানে লেবাননের প্রেসিডেন্সি ও হিজবুল্লাহর নেতৃত্বের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হচ্ছে না।




