গত এক সপ্তাহে ন্যাটোভুক্ত দেশ এবং অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো মিত্রদের সামুদ্রিক সহায়তা দেয়া উচিত কি না, এ নিয়ে ট্রাম্প একাধিকবার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন।
জাপানের কিয়োদো নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউসে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বিষয়টি উত্থাপন করেন। জবাবে তাকাইচি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে ‘জাপান কী করতে পারে এবং কী করতে পারে না’, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
জাপানের সামুদ্রিক আত্মরক্ষা বাহিনী বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নৌবাহিনী। তবে দেশটির ‘শান্তিবাদী’ সংবিধানের কারণে তাদের কার্যক্রমের পরিধি বেশ সীমিত করে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
কিয়োদোতে নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, তাকাইচি যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যভাবে সহায়তার প্রস্তাব দিয়ে থাকতে পারেন। পরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ন্যাটো দেশগুলোর বিপরীতে জাপান তাদের নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করি জাপান আরও এগিয়ে আসবে, কারণ, সবাই জানে, আমাদের মধ্যে সেই ধরনের সম্পর্ক আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাপানে আমাদের ৪৫ হাজার সৈন্য আছে। জাপানের জন্য আমরা প্রতিবছর বহু অর্থ ব্যয় করি, তাই আমি আশা করি তারা এগিয়ে আসবে। এটা স্বাভাবিক এতে আমি অবাক হবো না।’



