জাহাজের ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে বাবুর্চি, প্রকৌশলী ও অন্য কর্মকর্তারা এখন কেবল আটকা পড়েই নেই, বরং ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অনেকে সরাসরি যুদ্ধের নিশানা হয়ে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১১ জন নাবিক নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক নাবিকদের দাতব্য সংস্থা ‘সেইলরস সোসাইটি’র ক্রাইসিস রেসপন্স নেটওয়ার্কের প্রধান গ্যাভিন লিম হামলার শিকার একটি জাহাজের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘তারা ভেবেছিলেন আজই হয়তো তাদের শেষ দিন। তাদের মাথার ওপর দিয়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জাহাজগুলো সরাসরি হামলার শিকার হতে দেখছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে তাদের মধ্যে কতটা উদ্বেগ ও আতঙ্ক কাজ করছে, তা সহজেই অনুমেয়।’
‘দ্য সিফেয়ারার্স চ্যারিটি’র মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হরমুজ প্রণালির এই অবরোধে প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। দীর্ঘ সময় সাগরে বন্দি থাকায় এসব কর্মীর মধ্যে চরম ক্লান্তি, একাকিত্ব, বিষণ্নতা ও উৎকণ্ঠা দেখা দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক বিপদের আশঙ্কায় তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।





