এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ‘এই মুহূর্তে’ আলোচনা চলছে। তিনি জানান, যাদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে; তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ‘খুবই মরিয়া’।
তবে, এর এক দিন আগেই ইরানের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর প্রত্যাখ্যান করে একে ‘ভুয়া’ বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে; ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে আলোচনায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
সংঘাতের মধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। যদিও ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইরান জানিয়েছে, শত্রুভাবাপন্ন নয়—এমন জাহাজকে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চাইছে তেহরান। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে প্রায় ৮২ হাজার স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এতে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে আগ্রহী।
তবে, প্রস্তাবটি ইরানের শীর্ষ পর্যায়ে কতটা গুরুত্ব পেয়েছে বা তারা এটিকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরাইল এই প্রস্তাবে সম্মত কি না, সেটিও জানা যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রকাশ না হলেও এতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানো এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর মধ্য দিয়ে হোয়াইট হাউস কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।





