কিন্তু ইসরায়েলি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ১৫-দফা শান্তি পরিকল্পনার বিভিন্ন শর্তের খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই পরিকল্পনায় নিচের দাবিগুলো উল্লেখ করা রয়েছে—
১. নাতানজ, ইসফাহান এবং ফোরদোর পারমাণবিক স্থাপনাগুলো অব্যবহৃত রাখতে হবে এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে
২. ইরানের সকল কর্মকাণ্ডের ওপর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ’র নিবিড় পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে
৩. ইরান এ অঞ্চলে প্রক্সি বা সশস্ত্র সহযোগী গোষ্ঠীর ব্যবহার পরিত্যাগ করবে এবং তাদের অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করবে
৪. বর্তমানে অর্জন করা পারমাণবিক সক্ষমতাগুলো নষ্ট করে ফেলতে হবে
৫. কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে
৬. ইরানের মাটিতে কোনো পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করা যাবে না এবং সমস্ত সমৃদ্ধকৃত উপাদান আইএইএ'র কাছে হস্তান্তর করতে হবে
৭. হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে এবং এটি একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে
৮. ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তবে সেগুলোর সংখ্যা ও পাল্লা সীমিত থাকবে এবং তা শুধুমাত্র আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হবে
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এসব শর্তের বিপরীতে ইরান যা পাবে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে, তা হলো—
১. বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বুশেহর শহরে একটি বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প উন্নয়নে মার্কিন সহায়তা
২. দেশটির ওপর থাকা সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
৩. নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি বাতিল
এছাড়া আলোচনা চলাকালে এক মাসব্যাপী সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে। যদিও দায়িত্বশীল কেউ এখনো এ খবর নিশ্চিত করেননি এবং হোয়াইট হাউস থেকেও এ নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।





