গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানান, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনের ১৫ দফার প্রস্তাব ইরান পর্যালোচনা করছে।
তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগে তুরস্ক ও মিসরসহ অন্য দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে।
এর আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, বর্তমান কূটনৈতিক তৎপরতায় প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহের শেষে পাকিস্তানে একটি বৈঠকের আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা নিশ্চিত করেছে মিসর। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেল আত্তি বলেন, ‘পাকিস্তান ও তুরস্কের পাশাপাশি তারাও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানে সহায়তা করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত রয়েছে।’
এদিকে, লেবাননে ইসরাইলের স্থল অভিযান বন্ধের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে মিসর। বর্তমানে দেশটিতে সফররত বদর আবদেল আত্তি জানান, এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরাইলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে কায়রো।





