আরাঘচি বলেন, ‘মিনাব স্কুলে এই বর্বর হামলা আরও বড় এক বরফখণ্ডের দৃশ্যমান চূড়া মাত্র; যার নিচে আছে আরও গুরুতর বিপর্যয়—মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সবচেয়ে ঘৃণ্য লঙ্ঘনকে স্বাভাবিকীকরণ এবং দায়মুক্তিতে নৃশংস অপরাধ করার ঔদ্ধত্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘শাজারা তাইয়্যেবেহ কন্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়কে লক্ষ্য করা ছিল যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ—যা সবার পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন নিন্দা এবং অপরাধীদের স্পষ্ট জবাবদিহি দাবি করে।’ আরাঘচি আরও বলেন, ‘মিনহাবে স্কুলে হামলা কেবল কোনো ঘটনা নয়, কিংবা ভুল হিসাবও নয়।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘নিজেদের অপরাধকে ন্যায্যতা দেয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী মন্তব্য কোনোভাবেই তাদের দায় লুকাতে পারে না।’
আরাঘচি আরও বলেন, ‘তারা যুদ্ধের আইন ও মানবতা-সভ্যতার মৌলিক নীতির তোয়াক্কা না করে বেসামরিক মানুষ এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করছে।’
তিনি দাবি করেন, ‘এর ফলে ইরানজুড়ে ৬০০টির বেশি স্কুল ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক শহিদ বা আহত হয়েছেন।’





