প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বাকি এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে বোমা হামলায় সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত, ধ্বংস বা ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কারের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রয়টার্সের একটি সূত্র বলেছে, ইরানের ড্রোন সক্ষমতা নিয়েও গোয়েন্দা মূল্যায়ন প্রায় একই এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হওয়ার বিষয়ে কিছুটা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রতিবেদনের বলা হয়, এ মূল্যায়ন ইঙ্গিত দেয়, ইরানের বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র হয় ধ্বংস হয়েছে, নয়তো বর্তমানে ব্যবহার-অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। তবে তেহরানের হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র থাকতে পারে। যুদ্ধ থামলে চাপা পড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধার করাও সম্ভব হতে পারে।
এ গোয়েন্দা মূল্যায়ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৃহস্পতিবারের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইরানের হাতে খুব কম রকেট বাকি আছে।’ একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, অবশিষ্ট ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হরমুজ প্রণালি সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ কোনো মার্কিন অভিযানের জন্যও হুমকি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আগে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন করে সংঘাত আরও বাড়ানো হবে কি না—সে বিষয়টি ট্রাম্প বিবেচনা করছেন।
পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। তিনি আরও জানান, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ সরঞ্জাম উৎপাদন স্থাপনা এবং জাহাজ নির্মাণ স্থাপনার ৬৬ শতাংশের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে।
ইরাক যুদ্ধে চার দফা দায়িত্ব পালন করা সাবেক মেরিন কর্মকর্তা এবং ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য সেথ মলটন ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, ‘ইরান যদি বুদ্ধিমান হয়, তাহলে তারা তাদের সক্ষমতার কিছু অংশ রেখে দিয়েছে—তারা যা আছে সব ব্যবহার করছে না। তারা ওত পেতে আছে সুযোগের জন্য।’





