ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এরই মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। দেশে দেশে দেখা দিচ্ছে জ্বালানি সংকট। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম নানা পদক্ষেপ নিয়েছে মালয়েশিয়া। সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। যা কার্যকর হবে ১৫ এপ্রিল থেকে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হবে। এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই এই সিদ্ধান্ত আনোয়ার ইব্রাহিম প্রশাসনের। চাপ কমাতে ভোক্তাদের মাসে ২০০ লিটার জ্বালানির কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের জন্য ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে আগের দামেই।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আমাদের এ বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে যে, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক নয়। যদি পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়, তবে আমাদের সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং নিজেদের পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
জাতীয় জ্বালানি কোম্পানি পেট্রোনাস মে মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়েছে বলেও জানান তিনি। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। কমানো হচ্ছে সরকারি ব্যয় ও বড় আকারের অনুষ্ঠান।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তত মে মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য আমরা পেট্রোনাসের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যা আমাদের জনগণ ও দেশকে ব্যাপকভাবে সহায়তা করবে।’
এছাড়াও অপচয় না করে যারা সংযম দেখাচ্ছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান আনোয়ার ইব্রাহিম।





