ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে লোক সরানোর শেষ ধাপে রাশিয়া

স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের বুশেহর প্রদেশে অবস্থিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের বুশেহর প্রদেশে অবস্থিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র | ছবি: রয়টার্স
0

ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শেষ দফায় লোকজন সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। আগামী সপ্তাহে ২০০ জনের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের প্রধান জানিয়েছেন। তুরুস্কের আনাদুলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সেন্ট পিটার্সবার্গে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আলেক্সেই লিখাচেভ বলেন, এই সরিয়ে নেওয়া সংস্থাটির জন্য অগ্রাধিকারমূলক কাজ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান কাজ এখন শেষ দফার সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি। এতে ২০০ জনের বেশি মানুষ থাকবেন। এটি আগামী সপ্তাহে হবে বলে আমরা আশা করছি। বিভিন্ন কারণে এর সময়সূচি বা রুট সম্পর্কে আমি প্রকাশ করতে পারছি না।’

লিখাচেভ বলেন, রোসাটম প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং নিয়মিতভাবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এ বিষয়ে অবহিত করছে।

তিনি বলেন, ‘তিনি (পুতিন) বিস্তারিত জানেন—সংখ্যা, রুট, সময়সূচি—এই বিষয়ে আমাদের অগ্রগতি এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি অবগত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বুশেহর কেন্দ্রের ইউনিট ১ এখনো চালু রয়েছে এবং সেখানে এখনো কয়েক ডজন রুশ কর্মী অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্মাণস্থল এবং আবাসিক এলাকার কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে হবে এবং অবশ্যই, ইউনিট ১ পরিচালনায় আমাদের ইরানি অংশীদারদের সহায়তা দিতে হবে। তবে এসব হবে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে—খুব সীমিত সংখ্যক মানুষ।’

তিনি জানান, সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রসহ সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানাবে রাশিয়া।

তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, বহরের চলাচলের রুট সব চ্যানেলের মাধ্যমে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। চলাচলের সময় যুদ্ধবিরতি ব্যবস্থার সর্বোচ্চ নীতি অনুসরণ নিশ্চিত করতে আমরা অনুরোধ জানাবো।’ লিখাচেভ সরিয়ে নেয়া অভিযানের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি।

তিনি বলেন, ‘অঞ্চলের নির্দিষ্ট সামরিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। যেকোনো ঘটনা এই সরিয়ে নেয়া বিলম্বিত বা ত্বরান্বিত করতে পারে। কিন্তু আমি আবারও বলছি, আমরা এখন দিনে বেঁধে চলছি না—এখন আমরা ঘণ্টা ধরে চলছি।’

এএম