বিবৃতিতে বলা হয়, সংবাদে উল্লেখিত প্রকল্পের আওতায় সারা দেশের সব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ১৬টি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে অত্যাধুনিক সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন করার কার্যক্রম চলমান।
তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের সময়েই প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে যন্ত্রপাতি ক্রয় থেকে শুরু করে, সরবরাহ এবং পরিচালনা পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
আরও পড়ুন:
প্রশিক্ষণ ও প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন সংক্রান্ত ব্যয় ডিপিপির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করে বলা হয়, এর সঙ্গে সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। সংশ্লিষ্ট শর্তানুযায়ী, এসব কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে অর্থ কর্তনযোগ্য এবং এ অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে উল্লেখিত সফরে বাংলাদেশ সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের ৮০ শতাংশ ভৌত কাজ এবং ৯৫ শতাংশ আর্থিক ব্যয় এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তথ্য মন্ত্রণালয় দাবি করছে, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সংবাদে প্রকল্পটি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গৃহীত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বরং, পতিত সরকারের আমলে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাদ দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।





