এদিকে, জাপানও এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। টোকিওতে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি মিনোরু কিহারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের এ যুদ্ধবিরতির খবরকে তারা একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে স্বাগত জানাচ্ছেন এবং একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তির"’ অপেক্ষায় রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ওমানও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানায়। একইসঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বানে সাড়া দেওয়া পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে দেশটি।
ওমান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা বর্তমানে এমন সমাধান খোঁজার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি যা এ সংকটের মূল উৎপাটন করতে পারবে। এ অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।
মন্ত্রণালয় আরও জোর দিয়ে বলে যে, বৈরিতা কাটিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানে পৌঁছাতে এখন সম্মিলিত প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা জরুরি।





