এসকাপের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হামজা মালিক জানান, গত বছর ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও তেলের উচ্চমূল্যের কারণে চলতি বছর চীনের প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ৩ থেকে ৪ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে নেমে আসতে পারে। একইভাবে ভারতের প্রবৃদ্ধিও ৭ শতাংশ থেকে কমে ৬ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
আরও পড়ুন:
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে হামজা মালিক বলেন, ‘এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এখনো বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। তবে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল, পেট্রোল এবং সারের যে উচ্চমূল্য তৈরি হয়েছে, তা এই অঞ্চলের অর্থনীতির গতিপথকে বাধাগ্রস্ত করছে।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীন উভয় দেশই তাদের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালি দফায় দফায় বন্ধ হওয়া এবং লোহিত সাগরে অস্থিরতার ফলে পণ্য পরিবহন খরচ ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে এই দুই দেশের জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে।





