দণ্ডপ্রাপ্ত ওই কর্মকর্তার নাম মেহেদি ফরিদ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার দণ্ড বহাল রাখার পর তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
আরও পড়ুন:
মিজান নিউজ জানায়, মেহেদি ফরিদ ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য পাচারের চেষ্টার কথা স্বীকার করেছিলেন। এসব তথ্যের মধ্যে বিভিন্ন সংস্থার প্রাতিষ্ঠানিক বিবরণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নকশা এবং কর্মীদের নথিপত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল।





