ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসফাহানি বলেন, ‘শত্রু যদি আমাদের একটি তেলকূপে আঘাত হানে, তবে যে দেশের মাটি ব্যবহার করে আমাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে, সেই দেশের তেল স্থাপনাগুলোকেও আমরা লক্ষ্যবস্তু করবো।’
তিনি বর্তমান আলোচনার পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘তেহরানের প্রতিনিধিদল আলোচনার টেবিলে শত্রুর কলার চেপে ধরেছে। অর্থাৎ আলোচনার সমান্তরালে তেহরান তার সামরিক শক্তি প্রদর্শনেও পিছপা হবে না।’
আরও পড়ুন:
দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ‘প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা’ নেয়া হয়েছে, তাই এ নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বারবার ইরানের তেল স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সুপেয় পানির প্ল্যান্ট ‘গুঁড়িয়ে দেয়ার’ হুমকি দিয়ে আসছেন। ট্রাম্পের সেই হুমকির মুখেই ইরানের পক্ষ থেকে এমন পাল্টা হুঁশিয়ারি এলো।





