জেনারেল কেইন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নৌ-অবরোধের মুখে টুসকাই ছিল একমাত্র জাহাজ যেটি ‘‘পিছু হটার বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত’’ নেয়নি।’ তিনি দাবি করেন, জাহাজটির ক্রুরা বারবার মার্কিন সতর্কতা উপেক্ষা করছিলেন। একপর্যায়ে মার্কিন নৌবাহিনী ৫টি সতর্কতামূলক গোলা নিক্ষেপ করে।
তিনি আরও জানান, সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) টুসকা জাহাজটিকে অচল করে দেয়ার নির্দেশ দেয়। মার্কিন নৌ-সদস্যরা টুসকার ক্রুদের ইঞ্জিনরুম ছেড়ে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেন। এরপর পূর্ব দেশিয় সময় আনুমানিক সকাল ৯টায় একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার থেকে ৯ রাউন্ড ‘ইনার্ট রাউন্ড’ (অবিস্ফোরক গোলা) ছুড়ে জাহাজটির ইঞ্জিন অচল করে দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার পর জাহাজটি সমুদ্রের মাঝখানে স্থির হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে মার্কিন নির্দেশ মেনে চলতে শুরু করে। বর্তমানে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছে।
এছাড়া ভারত মহাসাগরে জব্দ করা অন্য দুটি জাহাজ—‘এম/টি টিফানি’ ও ‘এম/টি ম্যাজেস্টিক এক্স’ এবং সেগুলোর ক্রুরাও বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেনারেল ড্যান কেইন।





