প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধে বড় ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা সত্ত্বেও ইরানের প্রতিরক্ষা এবং পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ে রয়েছে।’ তিনি জানান, অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার কোম্পানি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত। ফলে কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না।
আরও পড়ুন:
রেজা তালাই-নিক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ইরানের জন্য একটি ‘নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘এই নৌপথ ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান পার্শ্ববর্তী জলসীমার পরিস্থিতির ওপর প্রভাব বিস্তার করে আসছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে শান্তি আলোচনার তোড়জোড় চললেও ইরানের এমন সামরিক সক্ষমতার জানান দেয়া মূলত আলোচনার টেবিলে নিজেদের অবস্থান শক্ত রাখার একটি কৌশল। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অটুট থাকার দাবি ওয়াশিংটনের জন্য একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।





