নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হেনগলি পেট্রোকানিক্যাল রিফাইনারিও রয়েছে। এ প্রসঙ্গে চায়না ডেইলির লেখক লি ইয়াং এক নিবন্ধে যুক্তি দেখিয়েছেন, ওয়াশিংটনের এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন নেই। ফলে এটি আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক রীতিনীতির পরিপন্থী।
তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র কেবল নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে না, বরং এর মাধ্যমে তারা সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার তৃতীয় পক্ষের বাণিজ্যের ওপর নিজস্ব এখতিয়ার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
লি ইয়াং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ডলারের আধিপত্যকে পুঁজি করে বিশ্বজুড়ে নিষেধাজ্ঞার জাল বিস্তার করে আসছে। বর্তমানে তালিকাভুক্ত বা কালো তালিকাভুক্ত পক্ষের সঙ্গে লেনদেন করা অন্য প্রতিষ্ঠানের ওপর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ বা গৌণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ওয়াশিংটনের এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
চীনের এই কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে একটি পরিষ্কার বার্তা দেয়া হয়েছে যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এমন ‘অবৈধ’ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে বাধ্য নয়।





