কারও নাম উল্লেখ না করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘কংগ্রেসের কেউ কেউ এবং অন্যান্যরা তৃণমূলের হারে আনন্দিত হচ্ছেন। তাদের একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার—আসাম ও বাংলার জনগণের রায় ছিনিয়ে নেয়া ভারতীয় গণতন্ত্র ধ্বংসের লক্ষ্যে বিজেপির বড় একটি পদক্ষেপ।’ এই মুহূর্তে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে উঠে ক্ষুদ্র রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়, এটি ভারতের অস্তিত্বের প্রশ্ন।’
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বড় জয়ের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার এক দিন পরই রাহুলের এমন মন্তব্য এলো। নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় পেয়ে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে যাচ্ছে বিজেপি। অন্যদিকে এই নির্বাচনে কংগ্রেস মাত্র দুটি আসনে জয় পেয়েছে।
নির্বাচনে জনমত ‘চুরি’ হয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ তুলেছেন, রাহুল গান্ধীর বক্তব্যেও তার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে। মমতা দাবি করেছেন, অন্তত ১০০টি আসন তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ আখ্যা দিয়ে এই জয়কে ‘অনৈতিক’ ও ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেন। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামী ২১ মে ফলতা নির্বাচনি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে।





