গত বৃহস্পতিবার (৮ মে) নিজের দ্বিতীয় সন্তান ভিভিয়ানার জন্মের খবর জানান ২৮ বছর বয়সী ক্যারোলিন লেভিট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নবজাতক মেয়েকে কোলে নিয়ে একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘১ মে আমাদের পরিবারে ভিভি যুক্ত হয়েছে এবং আমাদের অন্তর ভালোবাসায় ভরে গেছে।’ তিনি আরও জানান, শিশুটি সুস্থ আছে এবং তার বড় ছেলেও নতুন বোনকে পেয়ে বেশ আনন্দিত।
লেভিটের এই আনন্দের দিনে অভিনন্দন জানিয়ে আর্মেনিয়াস্থ ইরানি দূতাবাস এক্সে লেখে, ‘আপনাকে অভিনন্দন। শিশুরা সব সময় নির্দোষ ও আদরণীয়। কিন্তু মিনাবের ওই স্কুলে আপনার বস (ট্রাম্প) যে ১৬৮ শিশুকে হত্যা করেছেন এবং আপনি যেটির সাফাই গেয়েছিলেন, তারাও ছিল শিশু। আপনি যখন নিজের সন্তানকে চুমু খাবেন, তখন ওই শিশুদের মায়েদের কথা একবার ভাববেন।’
মিনাব শহরের ওই প্রাথমিক স্কুলে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রথম দিনেই ৭৩ জন ছেলে ও ৪৭ জন মেয়ে শিশু নিহত হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় ২৬ জন শিক্ষক ও সাতজন অভিভাবকসহ আরও অনেকে প্রাণ হারান। সে সময় লেভিট দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায় না। তিনি উল্টো ইরান সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে বলেছিলেন, ইরানই শিশুদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক তদন্তের প্রাথমিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ভুলের কারণে একটি মার্কিন টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্কুলটিতে আঘাত হানে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন যে এই হামলার পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে। এমনকি ইরান টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও প্রমাণহীন দাবি করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে মার্কিন সামরিক তদন্তে সত্যতা বেরিয়ে এলেও ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।





