আইইএ’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সাল জুড়ে বিশ্ববাজারে দৈনিক তেলের সরবরাহ প্রায় ৩৯ লাখ ব্যারেল কমতে পারে। যদিও চলতি বছর তেলের বৈশ্বিক চাহিদা দৈনিক ৪ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল কমার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সরবরাহের ঘাটতি সেই চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে।
সংস্থাটি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর ১০ সপ্তাহ পার হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ বন্ধ থাকায় তেলের বৈশ্বিক মজুত বা ইনভেন্টরি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার এই ধারা চলতে থাকায় মজুত বা বাফার স্টক দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।’
ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে আসার কথা ছিল এমন ১০০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেলের সরবরাহ নষ্ট হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে আইইএ’র সদস্য দেশগুলো তাদের সংরক্ষিত জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়লেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি।
-768x402.webp)




