জাহাজটিতে ১ হাজার ২৩৩ জন যাত্রী রয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই ব্রিটিশ ও আইরিশ নাগরিক। মঙ্গলবার বোর্দোতে পৌঁছানোর পর ৯০ বছর বয়সী এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। ফরাসি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, জাহাজের প্রায় ৫০ জনের শরীরে এই ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
জাহাজটির পরিচালক সংস্থা ‘অ্যাম্বাসেডর ক্রুজ লাইন’ জানিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির শরীরে আগে থেকে পাকস্থলী বা অন্ত্রের কোনো সমস্যার লক্ষণ ছিল না। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
তবে তারা স্বীকার করেছে যে জাহাজের ৪৮ জন যাত্রী ও একজন ক্রু বর্তমানে পেটের পীড়াজনিত সমস্যায় ভুগছেন। ১৪ রাতের এই প্রমোদযাত্রাটি গত শুক্রবার বেলফাস্ট এবং শনিবার লিভারপুল থেকে শুরু হয়েছিল। লিভারপুল থেকে নতুন যাত্রী ওঠার পরই মূলত অসুস্থতা বাড়তে থাকে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, জাহাজে পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুমুক্তকরণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ দল জাহাজের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করছে।
বোর্দো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিরাপত্তার খাতিরে সব যাত্রী ও ক্রুকে জাহাজের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে। ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই তারা তীরে নামার অনুমতি পাবেন। অসুস্থদের জন্য জাহাজে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।





