ভেট্রিভেলকে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে ওএসডি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার পর তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) সরকারকে সমর্থন দেয়া বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে), সিপিআইএম ও সিপিআই প্রকাশ্যে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে।
বিধানসভায় আস্থাভোটের আগে ভিসিকে’র বিধায়ক বাণী আরসু সরকারকে বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিনির্ভর চিন্তাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের বিজ্ঞানমনস্কতাকে গুরুত্ব দেয়া উচিত, জ্যোতিষশাস্ত্রকে নয়।’ একই ধরনের আপত্তি তোলে বাম দলগুলোও। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক পি শানমুগাম বলেন, জনসাধারণের অর্থে কোনো জ্যোতিষীকে সরকারি পদে বসানো কুসংস্কারকে উৎসাহিত করবে। সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক এম বীরাপান্ডিয়ানও একই ধরনের উদ্বেগ জানান।
দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড়া কাজাগামের (ডিএমডিকে) নেতা প্রেমলতা বিজয়কান্তও এই নিয়োগের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘তরুণদের ভোটে ক্ষমতায় এসে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া ভুল বার্তা দিচ্ছে।’ তার ভাষায়, ‘তিনি যদি আপনার গুরু হন, তাহলে ব্যক্তিগত পর্যায়ে রাখুন। কিন্তু তরুণদের কাছে আপনি কী উদাহরণ স্থাপন করছেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে।’
জোটসঙ্গীরা সমর্থন প্রত্যাহার না করলেও তাদের প্রকাশ্য অসন্তোষ রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তোলে। এর মধ্যে আস্থাভোটের পর বিজয় ইঙ্গিত দেন, কয়েকটি দলের আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা হবে। পরে দ্রুতই ভেট্রিভেলের নিয়োগ বাতিল করা হয়।





