এসময় ট্রাম্প বাগানের সৌন্দর্যের প্রশংসা করে বলেন, এগুলো এখন পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে সুন্দর গোলাপ।
বাগানে ভ্রমণের সময় এক সাংবাদিক ট্রাম্পের কাছে সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইতিবাচক সংকেত (থাম্বস আপ) দেন। তবে চীনা প্রোটোকল কর্মকর্তারা ‘কোনো প্রশ্ন নেয়া হবে না’ বলে সাংবাদিকদের বারবার বাধা দেন।
দুই নেতা এরপর সবুজ স্তম্ভ এবং পাখি ও ঐতিহ্যবাহী চীনা পাহাড়ের দৃশ্যে খচিত একটি ঢাকা বারান্দা দিয়ে হেঁটে একটি ছোট চত্বরে পৌঁছান এবং সেখানে ছবি তোলেন।
পরে ট্রাম্প এবং শি একটি সুসজ্জিত প্যাভিলিয়নে বসেন, যেখানে শি জিনপিং দোভাষীর মাধ্যমে ঝংনানহাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। এসময় ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট উপস্থিত ছিলেন।
শি জিনপিং ঝংনানহাই চত্বরকে বর্ণনা করে বলেন, ‘এটি এমন একটি জায়গা যেখানে তিনি নিজে এবং চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের নেতারা বসবাস ও কাজ করেন। তিনি জানান, এই স্থানটি একসময় রাজকীয় উদ্যানের অংশ ছিল এবং বাগানে থাকা একটি গাছের বয়স প্রায় ৪৯০ বছর।’
এই সফরের স্মৃতি হিসেবে শি জিনপিং জানান যে, তিনি ট্রাম্পকে উপহার হিসেবে ওই বাগানের চীনা গোলাপের বীজ পাঠাবেন।
ট্রাম্প এই উপহারের প্রস্তাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমি এটি খুব পছন্দ করব, এটি দারুণ একটি ব্যাপার।
যৌথ ভাষণে শি জিনপিং ঘোষণা করেন যে, দুই নেতা একটি ‘গঠনমূলক’ ও ‘নতুন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের’ স্তরে পৌঁছেছেন, যা দুই দেশের জন্য একটি ‘মাইলফলক’।
তবে দোভাষী যখন শি’র এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের ইংরেজি অনুবাদ করছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই সাংবাদিকদের কক্ষ থেকে বের করে দেয়া হয় এবং অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভস্ট্রিম) বন্ধ করে দেয়া হয়।





