এ রায়ের মাধ্যমে প্রযুক্তি দুনিয়ার অন্যতম আলোচিত আইনি লড়াইয়ের একটি অধ্যায় শেষ হলো, যেখানে মাস্ক অভিযোগ করেছিলেন ওপেনএআই তাদের প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে গেছে। তবে আদালত শেষ পর্যন্ত তার দাবি গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি বাতিল করে দেয়।
এটি সাম্প্রতিক সময়ে মাস্কের একের পর এক আইনি ধাক্কার ধারাবাহিকতা আরও দীর্ঘ করলো। এর আগে টুইটার (বর্তমানে এক্স) অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত মামলায় তিনি বিনিয়োগকারীদের অভিযোগের মুখে পরাজিত হন, যেখানে বলা হয়েছে, ক্রয় প্রক্রিয়ার সময় তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন। একই সময়ে সাবেক টুইটার নির্বাহীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের একটি মামলায় তিনি বছরের পর বছর লড়াই শেষে সমঝোতায় পৌঁছান।
আরও পড়ুন:
এর বাইরে বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে করা আরেকটি মামলাও আদালত খারিজ করে দেয়, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে তারা প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে গিয়ে অন্যায় করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক আইনি পরাজয়গুলো মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত তিনটি বড় মামলায় মাস্ক হারিয়েছেন বা সমঝোতা করতে বাধ্য হয়েছেন। এর ফলে ওপেনএআই মামলাসহ মোট আইনি ধাক্কার সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে।
রায় ঘোষণার পর ইলোন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এ সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন এবং আপিল করার ঘোষণা দেন। তিনি বিচারককে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলেও মন্তব্য করেন।
সব মিলিয়ে, একের পর এক মামলায় পরাজয়, খারিজ এবং সমঝোতা সত্ত্বেও মাস্কের আইনি লড়াই থামার কোনো ইঙ্গিত নেই, বরং তিনি ভবিষ্যতেও আরও উচ্চপ্রোফাইল আইনি বিরোধে জড়িয়ে পড়বেন কি না, এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




