দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান ও মধ্যস্থতায় কাজ করছে পাকিস্তান। গত মাসে পাকিস্তানে প্রথম দফার শান্তি আলোচনা হওয়ার পর থেকে তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরান সফর করেছেন।
একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও শান্তি আলোচনায় এখন পর্যন্ত খুব একটা অগ্রগতি হয়নি। উল্টো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আগামী নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে নিজ দেশেও জনপ্রিয়তার সংকটে পড়েছেন ট্রাম্প।
জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, যদি আমরা ঠিক উত্তর না পাই, তবে সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে যাবে। আমরা হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
কত দিন অপেক্ষা করবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটি কয়েক দিন হতে পারে, আবার সবকিছু খুব দ্রুতও ঘটে যেতে পারে।’ ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবেন না। এর আগে তিনি বলেছিলেন, ইরান ইস্যুতে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে; হয় একটি চুক্তি হবে, নয়তো ‘ভয়াবহ’ কিছু ঘটবে।
অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস নতুন করে হামলার বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘যদি ইরানের ওপর আবার আগ্রাসন চালানো হয়, তবে প্রতিশ্রুত আঞ্চলিক যুদ্ধ এবার অঞ্চলের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে।’
চলতি সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে যেসব শর্তের কথা বলা হয়েছে, তার বেশির ভাগই ট্রাম্প আগে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি।





