ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘ওবামা আমলের চুক্তিটি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথকে সরাসরি সুগম করে দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের যে আলোচনা চলছে, তা মোটেও তেমন নয়—বরং এটি হবে তার সম্পূর্ণ বিপরীত!’
২০১৫ সালের ‘জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন’ বা জেসিপিওএ চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপের বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছিল। তবে প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ২০১৮ সালে ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্রদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে একতরফাভাবে এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নেন এবং ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
আরও পড়ুন:
মূলত ইসরাইলের চাপ এবং কূটনৈতিক অনাগ্রহের কারণেই ট্রাম্প তখন চুক্তিটি বাতিল করেছিলেন, যার ফলে ইরানও পরবর্তীতে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলার নির্দেশ দেয়ার পর, ট্রাম্প এখন আবার সেই ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির আদলেই একটি নতুন চুক্তির পেছনে ছুটছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এবারের চুক্তিতে ওয়াশিংটনকে হয়তো আগের চেয়েও কঠিন ও প্রতিকূল শর্তের মুখোমুখি হতে হতে পারে।





