ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘লেবাননে ইসরাইলি এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার অন্যতম কারণ। তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যেকোনো চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো লেবাননে যুদ্ধবিরতি।’
ইসরাইলি হামলার সতর্কবার্তার পর বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি, যা ‘দাহিয়েহ’ নামে পরিচিত, সেখান থেকে সাধারণ মানুষ পালাত শুরু করেছে। লেবাননে চলমান এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হতে দেয়া হবে না যেখানে হিজবুল্লাহ আমাদের শহর ও নাগরিকদের ওপর হামলা চালাবে, আর বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী সদর দপ্তরগুলো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে।’
আরও পড়ুন:
নেতানিয়াহু আরও জানান, ইসরাইল লেবাননে তাদের স্থল অভিযান আরও জোরদার করছে। উত্তর ইসরাইলকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইতিমধ্যে একটি তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরি করেছে ইসরাইলি সেনারা।
যুদ্ধের শুরুর সপ্তাহগুলোতে বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছিল ইসরাইল। তবে গত ১৬ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার পর থেকে ওই এলাকায় মাত্র দুটি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু দক্ষিণ লেবাননে সংঘাতের তীব্রতা কমেনি।
গত ২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালালে তেহরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরাইলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। এরপর থেকেই পুরো অঞ্চলে এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।




