ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের শেষ দিনে সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্নি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। এর ফলে আমরা এক ধাপ পিছিয়ে এসে ইউক্রেন যুদ্ধকে নতুনভাবে পর্যালোচনা করতে পারব।’ ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া এই খসড়া চুক্তির একটি কপি তিনি দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে নিজের সন্তোষ প্রকাশ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, এটি আমার প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে।’ যদিও চুক্তির শর্তগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও তিনি কীভাবে এর কপি দেখলেন—এমন প্রশ্নে কার্নি বিস্তারিত কিছু না বলে শুধু জানান যে, তাদের নিজস্ব উৎস রয়েছে।
কার্নি আরও উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তি ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। নিজের বক্তব্যের সপক্ষে একটি রূপক ব্যবহার করে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটি পর্যায় অতিক্রম করেছি যেখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই (দ্য রুবিকন হ্যাজ বিন ক্রসড)।’





