জেলেনস্কি জানান, ‘টাইটান-বারিকাডি’ নামের ওই কারখানায় এই হামলা চালানো হয়। রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের দূরপাল্লার এই হামলার পরিধি ক্রমশ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দিনের পর দিন আমাদের এই চাপই শেষ পর্যন্ত একটি মর্যাদাপূর্ণ শান্তির ভিত্তি তৈরি করবে।’
এদিকে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ জানিয়েছে, রাশিয়ার ভ্লাদিমির অঞ্চলে অবস্থিত ‘ভটোরোভো’ তেল পাম্পিং স্টেশনেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। চলতি মাসে এই স্টেশনে এটি ইউক্রেনের দ্বিতীয় হামলা। রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ও রপ্তানি বাজারের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই পাম্পিং স্টেশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র।
গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার ভেতরে সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরদার করেছে। যুদ্ধের পঞ্চম বছরে এখন ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনে তীব্র লড়াই চলছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের জ্বালানি সংস্থা নাফটোগাজ জানিয়েছে, গত দুই দিনে রাশিয়ার হামলায় দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলে তাদের বেশ কিছু উৎপাদন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলেনস্কি আরও জানান, গত এক সপ্তাহে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ১ হাজার ৪০০ ড্রোন ও ১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং মিত্রদের সঙ্গে ড্রোন সহযোগিতা বৃদ্ধি করা ইউক্রেনের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।





