২৬ জুন লেখা ওই চিঠিতে ফেদোরোভ উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় পিস ফ্যাসিলিটির (ইপিএফ) তহবিল ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা প্রচেষ্টায় অন্যতম প্রভাবশালী অবদান হতে পারে। তবে এটি তখনই কার্যকর হবে যখন এই সম্পদগুলো সরাসরি সেই সব জায়গায় ব্যবহার করা হবে যেখানে দ্রুততম সামরিক সুফল পাওয়া সম্ভব। রাশিয়ার অগ্রযাত্রা বর্তমানে ধীর হয়ে এসেছে এবং ইউক্রেন ফ্রন্টলাইনের কিছু অংশে সফল পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ভেতরে দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে মস্কোর রসদ সরবরাহ এবং তেল রাজস্ব কমিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে কিয়েভ।
ফেদোরোভ এর আগে ১৭ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ৫০টি দেশের জোট ‘ইউক্রেন ডিফেন্স কন্টাক্ট গ্রুপ’ বা ‘রামস্টাইন গ্রুপ’-এর কাছে আরও ২ হাজার কোটি ডলার (২০ বিলিয়ন) সামরিক সহায়তা চাইছেন। ইতিমধ্যে এই জোটের পক্ষ থেকে ৪ হাজার কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে এবং রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা মোকাবিলা করতে ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক মিত্রদের কাছ থেকে আরও বেশি আর্থিক ও সামরিক সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে।





