সেই সময়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক চাপের মুখে অনেক অবিবাহিত মাকে তাদের সন্তানদের অন্যের হাতে তুলে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। স্টারমার বলেন, ‘আমরা সেই সব মায়েদের কাছে গভীরভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যাদের বলা হয়েছিল তারা উপযুক্ত নন এবং যারা তাদের সন্তানদের দেখাশোনা করতে পারেননি। এই বেদনা তারা কয়েক দশক ধরে বয়ে বেড়াচ্ছেন।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘লজ্জা আপনাদের নয়, লজ্জা আমাদের। রাষ্ট্রের উচিত ছিল সেই ব্যবস্থার দায় নেয়া যা এই অন্যায়কে বৈধতা দিয়েছিল।’ অনেক তরুণীকে সে সময় ‘অনৈতিক’ হিসেবে চিহ্নিত করে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল এবং তাদের বোঝানো হয়েছিল যে দত্তক দেয়াই একমাত্র পথ।
ডাউনিং স্ট্রিটে এই ঘটনার ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্টারমার তাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, স্থানীয় প্রশাসন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণেই হাজার হাজার পরিবারের জীবনে এই বিপর্যয় নেমে এসেছিল। এই দীর্ঘস্থায়ী অবিচারের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।





