শারজাহ থেকে করাচি আসার পথে আরব সাগরের ওপর নিখোঁজ পাকিস্তানি কার্গো বিমান

কার্গো পরিবহনে ব্যবহৃত কেটু এয়ারওয়েজের একটি উড়োজাহাজ
কার্গো পরিবহনে ব্যবহৃত কেটু এয়ারওয়েজের একটি উড়োজাহাজ | ছবি: সংগৃহীত
0

পাকিস্তানের দক্ষিণ প্রান্তের শহর করাচির উপকূলে পাঁচজন ক্রু বহনকারী একটি কার্গো বিমান নিখোঁজ হয়েছে। এটি খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিমান কর্তৃপক্ষ। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল (মঙ্গলবার, ৬ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২১ মিনিটে (গ্রিনিচ মিন টাইম ১৬টা ২১ মিনিট) বোয়িং ৭৩৭ কার্গো বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে যায় এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি আসছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, নিচে নামার কয়েক মিনিট আগেই বিমানটি নেভিগেশন সিস্টেমে সমস্যার কথা জানিয়েছিল।

করাচিভিত্তিক ব্যক্তিমালিকানাধীন কার্গো এয়ারলাইন কে২ এয়ারওয়েজ বিমানটি পরিচালনা করছিল। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বুধবার এক বিবৃতিতে কে২ এয়ারওয়েজ বিমানটিতে থাকা পাঁচ ক্রুর পরিচয় প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, তারা ‘পাকিস্তান সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমাদের সহকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করছি।’

ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ফ্লাইটরাডার২৪-এর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, খাড়াভাবে নিচে নামার আগে বিমানটির উচ্চতায় তীব্র ওঠানামা রেকর্ড করা হয়েছে। নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানে এর আগে বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০২০ সালে। সে সময় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীবাহী ফ্লাইট করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় বিমানটিতে থাকা ৯৯ জনের মধ্যে দুজন ছাড়া সবাই নিহত হন।

এএম