দ্বিতীয় হামলা হয়েছে গাজা সিটির পশ্চিমের একটি শরণার্থী শিবিরে। সেখানেও প্রাণ গেছে এক ফিলিস্তিনির। আহত হয়েছেন অন্তত ৫ জন। আর তৃতীয় হামলা হয়েছে খান ইউনিসে। সেখানে জখম হয়েছেন ৩ জন আর নিহত হয়েছেন ১ জন। যদিও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামাসের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেই এই হামলাগুলো করা হয়েছে।
তবে ৩টি আলাদা হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি আইডিএফ। বিপরীতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, যুদ্ধবিরতির মধ্যেই বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো এই হামলার আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত।





