ডিকাসে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ বিভাগের তথ্যের সঙ্গে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানের তথ্য যোগ করলে দেখা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ১৮ জন সেনাসদস্য নিহত এবং ৭৫৭ জন আহত হয়েছেন।
প্রতিরক্ষা দপ্তর গত মাসে ডিকাসে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ নামে একটি নতুন বিভাগ যোগ করে। সেখানে বলা হয়, ৭ জুলাই থেকে নিহত ও আহতদের তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তবে কোন সংঘাতে এই হতাহত হয়েছে, সে বিষয়ে পেন্টাগন কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ জুলাইয়ের তারিখটি ওই দিনই মিলে যায়, যেদিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ অনুযায়ী কংগ্রেসকে জানায় যে ইরানকে ঘিরে নতুন সংঘাত শুরু হয়েছে। এ বিভাগের বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা জানতে পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ‘সিএনএন’।
বুধবারের হালনাগাদ তথ্য এমন সময়ে এল, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংঘাত শেষ করতে আলোচনা অচলাবস্থায় আছে। একই সঙ্গে চলমান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি উত্তেজনার একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে থাকছে।
এর আগে গত মাসে ইরানি হামলা চলার মধ্যে ডিকাসে নিহত ও আহতের মোট সংখ্যা কমে যাওয়ায় পেন্টাগন সমালোচনার মুখে পড়ে। সে সময় তালিকা থেকে ৪ জন নিহত এবং কয়েক ডজন আহতের তথ্য কমে গিয়েছিল, পরে তা আবার ফিরিয়ে দেয়া হয়। পেন্টাগন তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছিল, এই কমে যাওয়া ছিল ‘সাময়িক তথ্যগত বিঘ্ন’জনিত।
এদিকে বুধবারই ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পরিস্থিতি এই মুহূর্তে ‘খুব ভালো’। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা স্থগিত রেখেছেন।





