বিবিসি নেপালিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইউনিশা জানায়, বন্যা তাদের স্কুলে আঘাত হানার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে তারা নিরাপদ দূরত্বে পৌঁছাতে পেরেছিল। সে বলে, ‘আমি এবং আমার বন্ধুরা মাত্র ১০ সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে গেছি।’
স্কুলের পেছনের সরু ও কাদামাখা পথ ধরে অন্যান্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে দৌড়ে ওপরে উঠে ইউনিশা দেখে, চোখের পলকেই পুরো বাজার পানির স্রোতে ভেসে যাচ্ছে।
প্রবল বন্যায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে ইউনিশার পরিবার হতাশায় পড়ে যায়। তার মা সবিনা শ্রেষ্ঠা জানান, বন্যায় ভেসে যাওয়ার খবর শোনার পর তিনি বারবার মেয়েকে ফোন করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। মেয়ে এবং তার বাবা—কারো সাথেই যোগাযোগ হচ্ছিল না।’
অবশেষে ফোনে মেয়ের সাড়া পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পান সবিনা। তবে ইউনিশা বাড়ি ফেরার আগ পর্যন্ত পরিবারের দুশ্চিন্তা কাটেনি। তিন দিন পর বাড়ি ফেরে ইউনিশা। মেয়েকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে সবিনা বলেন, ‘আমি অনেক খুশি এবং স্বস্তিতে আছি। ঈশ্বর আমার মেয়েকে বাঁচিয়েছেন।’





